১. শুক্রক্ষয়ে ভালো কাজ করে ।
২. দ্রুত বীর্যপাত ও ধাতু দূর্বলতা দূর করে।
৩. বহুমুত্র রোগ সারাতে সাহায্য করে।
৪. শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
৫. মূত্রনালীর সংক্রমণ রোধে বা সংক্রমণে।
যৌনশক্তির হালুয়া উপকারিতা:
১.যারা যৌবনে অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ ও হ-স্ত-মৈথুনের কারনে বা অন্য কোন কারনে যৌন দু-র্ব-লতায় ভুগছেন
২.বিয়ে করতে সাহস পাচ্ছেন না
৩.বিবাহিত জীবনে অক্ষমতার পরিচয় দিচ্ছেন
৪. মি ল নে স্থায়িত্ব বলতেই নেই।
৫. দাম্পত্য জীবনে কলহ লেগেই থাকে।
৬. দাম্পত্য জীবনে কোন সুখ নেই।
৭. একই কারনে শুকিয়ে স্বাস্থ্য ও চেহারা নষ্ট করে ফেলছেন।
৮. অতিরিক্ত স্ব+প্ন দোষ
৯. বী র্য একেবারেই পাতলা
১০. শুক্র ক্ষমতা দূর্বল
১১. যারা অতিরিক্ত পরিশ্রম করেন
১২. অলসতা-অবসাদের কারণে কোন কিছুই ভাল লাগেনা
১৩. প্রচন্ড রকমের শারীরিক দূর্বলতা
১৪. রাতের ঘুম কম
১৫. যারা জিম করেন তাদের জন্য…
১৬. শুক্রক্ষয়ে ভালো কাজ করে ।
১৭. দ্রুত বীর্যপাত ও ধাতু দূর্বলতা দূর করে।
১৮. বহুমুত্র রোগ সারাতে সাহায্য করে।
১৯. শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
২০. মূত্রনালীর সংক্রমণ রোধে বা সংক্রমণে
কোন প্রকার গ্যারান্টি দেব না এবং চুক্তিতেও ঔষধ তৈরি করে দেই না। কারণ গ্যারান্টি দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই। রোগ সৃষ্টিকারী দিয়েছেন আল্লাহ, সুস্থতা দানকারীও আল্লাহ। আর আল্লাহ তায়ালা প্রকৃতিতে সবকিছুই আমাদের উপকারের জন্যই সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে মাধ্যম হিসেবে আমাদের ঔষধ সেবন করলে ইনশা-আল্লাহ্ ফল পাবেন।
তবে মনে রাখতে হবে, রোগ থেকে আরোগ্য দানকারী একমাত্র আল্লাহ। ঔষধ কেবল মাধ্যম। সুতরাং আল্লাহ যদি না চান তাহলে কোনো ওষুধই কাজ করে না। কারণ আল্লাহ হয়তো বান্দাকে রোগব্যাধি দিয়ে পরীক্ষা করেন অথবা এর মাধ্যমে তার গুনাহ মোচন করেন, আখিরাতে মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং সেখানে তাকে এর চেয়েও বড় পুরস্কারে ভূষিত করেন যা দুনিয়ার সকল কল্যাণ এর থেকেও অধিক উত্তম। আল্লাহ চাইলে অবশ্যই সুস্থতা অর্জিত হবে। অন্যথায় তিনি অন্যভাবে বান্দাকে এর বিনিময় দান করবেন। এ বিশ্বাস রাখাই মুমিনের কর্তব্য।
১০০% খাঁটি উপাদান দিয়ে তৈরি “ন্যাচারাল পাওয়ার পাউডার ও ন্যাচারাল পাওয়ার হালুয়া” যা আপনার দেহের উপকারে আসবেই। আপনার কষ্টার্জিত অর্থের একটি মূদ্রাও বিফলে যাবে না, ইনশাআল্লাহ।
যেসব ভেষজ উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে :
আলকুশি বীজ, অশ্বগন্ধা, শিমুল মূল, শতমূলী, আমলকী, হরিতকী, বহেড়া, তেঁতুল বীজ, তালের মিশ্রী,আকর কড়া, বড় এলাচ, মধু, গাওয়া ঘি, জাফরান ইত্যাদি।
এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিকর ভেষজ উপাদান যেমন -
গক্ষুর, ভুঁই কুমড়া, রোমী মস্তগী,গরম মশলা ইত্যাদি।।